উত্তর-পূর্বের শিল্প ও বিনিয়োগ প্রোৎসাহন নীতির আওতায় বিভিন্ন প্রকল্পে ভর্তুকি
নিজস্ব প্রতিনিধিঃ, 06/04/2017, নয়াদিল্লি

ভারতীয় চেম্বার অফ কমার্সের উদ্যোগে চলতি বছরের মার্চ মাসে দু’দিনের একাদশ উত্তর-পূর্ব ব্যবসাগত শীর্ষ সম্মেলন আয়োজিত হয়। নয়াদিল্লিতে ৯ এবং ১০ মার্চের এই আয়োজনে বিভিন্ন পর্বে অংশগ্রহণ করে কেন্দ্রীয় উত্তর-পূর্বাঞ্চল উন্নয়ন মন্ত্রক, ডোনার। উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পরিকাঠামোগত বিকাশে যে সমস্ত ক্ষেত্রে গুরুত্ব আরোপের ব্যাপারে বিভিন্ন সমীক্ষায় উল্লেখ করা হয়েছে মন্ত্রক সেসম্পর্কে ওয়াকিবহাল বলে ডোনার, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, পার্সোনেল, পাবলিক গ্রিভেন্সেস, পেনশনস্, পরমাণু শক্তি ও মহাকাশ মন্ত্রকের স্বাধীনদায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী ড: জিতেন্দ্র সিংহ বুধবার লোকসভায় সাতজন সাংসদের প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে একথা জানান।

তিনি এই প্রসঙ্গে আরও জানান, দেশের অন্যপ্রান্তের তুলনায় সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের বিকাশ হারের সমীক্ষার যথার্থ উৎস সম্পর্কে অবগত নন। তিনি একই সঙ্গে জানান, উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলিতে শিল্প ও বিনিয়োগ প্রোৎসাহন নীতি (এন ই আই আই পি)-র আওতায় ২০১৭-র মার্চ মাস অব্দি বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যাপক ভুর্তকির মঞ্জুরি দেওয়া হয়েছে। এর আওতায় উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলির সুনির্দিষ্ট পরিসংখ্যানও তুলে ধরেন ডোনার প্রতিমন্ত্রী ড: সিংহ। এক্ষেত্রে ২০১৩-১৪, ২০১৪-১৫, ২০১৫-১৬ ও ২০১৬-১৭ অর্থ বছরের হিসেব তুলে ধরা হয়।

সেই অনুযায়ী সর্বশেষ হিসেব তুলে ধরা হয়। সেই অনুযায়ী সর্বশেষ হিসেবে কেন্দ্রীয় মূলধন বিনিয়োগ ভর্তুকি প্রকল্প – সি সি আই এস, কেন্দ্রীয় সুদ ভর্তুকি প্রকল্প – সি আই এস, বিমা সংক্রান্ত ভর্তুকি প্রকল্প, পরিবহনে ভর্তুকি প্রকল্প – টি এস এস ও যাতায়াত ভর্তুকি প্রকল্প – এফ এস এস-এর আওতায় ত্রিপুরার মোট প্রাপ্তি ০.২৯ কোটি টাকা। এক্ষেত্রে সর্বাধিক ভর্তুকির আওতায় এসেছে মেঘালয় । ভর্তুকির পরিমাণ ১৮.৫৫ কোটি টাকা। এক্ষেত্রে গোটা অঞ্চলে মোট মঞ্জুরিকৃত ভর্তুকির পরিমাণ ১৮.৮৪ কোটি টাকা বলেও ড: সিংহ তাঁর লিখিত জবাবে উল্লেখ করেন।