স্মার্ট সিটি ও অম্রুত পদক্ষেপে দেশের ৯৪টি নগর ও শহরের জন্য নগরোন্নয়ন মন্ত্রকের ক্রেডিট রেটিঙ
নিজস্ব প্রতিনিধিঃ, 27/03/2017, নয়াদিল্লি

স্মার্ট সিটি মিশন ও অটল মিশন ফর রিজুভিনেশন অ্যান্ড আর্বান ট্রান্সফরমেশন (অম্রুত)-এর আওতায় ৫০০টির মধ্যে ৯৪টি নগরীকে অন্তর্ভুক্ত করার মাধ্যমে নগর ও শহরের ক্রেডিট রেটিং-এ বিশেষ অগ্রগতি লক্ষ্য করা গেছে। সম্পদের সহজলভ্যতার জন্য মিউনিসিপ্যাল বন্ড জারির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট রেটিং জরুরি।কেন্দ্রীয় নগরোন্নয়ন মন্ত্রী শ্রী এম ভেঙ্কাইয়া নাইডু শনিবার মন্ত্রকের ক্রেডিট রেটিং পদক্ষেপ সংক্রান্ত পর্যালোচনায় অংশগ্রহণ করেন। এতে দেখা যাচ্ছে এদের মধ্যে ৫৫টি নগরী বিনিয়োগ গ্রেড এর মান অর্জন করেছে। শ্রী নাইডু বিশেষভাবে উল্লেখ করেন যে, ৫৯ শতাংশ নগরীকে বিনিয়োগ গ্রেডের রেটিঙের আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে। দেশের নগর পরিচালন কর্তৃপক্ষ সমূহকে আর্থিক পরিস্থিতির দিক থেকে অভাবনীয় রকমের ইতিবাচক অবস্থায় পাওয়া গেছে।দেশের ১৪টি রাজ্য থেকে এই ক্রেডিট রেটিং সংক্রান্ত ব্যাপারের আওতাভুক্ত ৯৪টি নগরীকে চিহ্নিত করা হয়েছে।

কেন্দ্রীয় নগরোন্নয়ন মন্ত্রকের পক্ষে পাঁচটি নগর রূপান্তরমূলক সংস্কারের অন্যতম হিসেবে ক্রেডিট রেটিঙের বিষয়টিকে উৎসাহিত করা হচ্ছে। চলতি বছরেই শহুরে জনসংখ্যার মোট প্রায় ৬৫ শতাংশ হিসেবে ৫০০টি শহর ও নগরই ক্রেডিট রেটিঙের আওতায় আসবে।‘  এএএ’ মান থেকে ‘ডি’ মান পর্যন্ত সর্বমোট ২০টি রেটিং রেঞ্জ আছে। ‘বিবিবি’ পর্যন্ত মানকে বিনিয়োগ গ্রেডের আওতায় রাখা হয়েছে। আর এর নীচের রেটিং-এ মিউনিসিপ্যাল বন্ড জারির ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় মান অর্জনের জন্য মন্ত্রক থেকে ইতিবাচক হস্তক্ষেপের সংস্থান রয়েছে। নগর পরিচালন কর্তৃপক্ষের সম্পদ ও দায়বদ্ধতার নিরিখেই ক্রেডিট রেটিং-এর বিষয়টি মঞ্জুরি পায়।

এর মধ্যে রাজস্ব প্রবাহ, মূলধন বিনিয়োগের জন্য সহজলভ্য সম্পদ সহ সংশ্লিষ্ট বেশ কিছু শর্তপূরণ জরুরি হয়ে থাকে।সংশ্লিষ্ট ক্রেডিট রেটিঙ অনুযায়ী বিভিন্ন নগর ও শহরকে আলাদা মানের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ মানের জায়গায় রয়েছে নয়াদিল্লি পুর পরিষদ (এন ডি এম সি), নভি মুম্বাই ও পুনে। এর পরের ধাপে রয়েছে আহমেদাবাদ, বিশাখাপত্তনম ও বৃহত্তর হায়দ্রাবাদ পুর নিগম। এভাবেই ৯৪টি নগর ও শহরকে ভাগ করে সর্বনিম্ন ‘বি’ পর্যায়ে এসেছে ওড়িশার ভদ্রক নগরী। প্রসঙ্গত: এই তালিকার অন্তর্ভুক্ত নিম্ন পর্যায়ভুক্ত ৩৯টি নগর ও শহরকে কেন্দ্রীয় নগরোন্নয়ন মন্ত্রকের বেঁধে দেওয়া সময়সীমা অনুসারে পরবর্তী এক বছরের মধ্যে নিজেদের রেটিঙ উপযুক্ত মানে তুলে আনতে হবে।